menu 2

Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

Saturday, August 29, 2026

আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্প: ৫,৭৪৫ কোটি টাকা খরচ, বিদ্যুতের দাম ও লাভ-ক্ষতির বিশ্লেষণ


ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা। প্রতিদিন হাজার হাজার টন পৌর বর্জ্য landfill-এ জমা হচ্ছে। এই সমস্যার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে ঢাকার আমিনবাজারে Waste-to-Energy (WtE) প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চীনা প্রতিষ্ঠান China Machinery Engineering Corporation (CMEC)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ টন পৌর বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—এটি কি বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক, নাকি দীর্ঘমেয়াদে একটি ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ চুক্তিতে পরিণত হতে পারে?

এই প্রতিবেদনে প্রকল্পটির ব্যয়, বিনিয়োগ, বিদ্যুতের দাম, ২৫ বছরের সম্ভাব্য খরচ এবং পরিবেশগত লাভ-ক্ষতি সহজভাবে বিশ্লেষণ করা হলো।


আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্প কী?

Waste-to-Energy হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে নির্দিষ্ট ধরনের পৌর বর্জ্যকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে প্রক্রিয়াজাত বা দহন করে তাপ উৎপাদন করা হয়। সেই তাপ দিয়ে পানি থেকে বাষ্প তৈরি করা হয় এবং বাষ্পের মাধ্যমে turbine ও generator চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

সহজভাবে প্রক্রিয়াটি হলো:

বর্জ্য → বাছাই/প্রস্তুতকরণ → দহন → তাপ → বাষ্প → টারবাইন → জেনারেটর → বিদ্যুৎ

আমিনবাজার প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ টন পৌর বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।


প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রকাশিত প্রকল্প নথি অনুযায়ী:

বিষয় তথ্য
প্রকল্পের স্থান আমিনবাজার, ঢাকা
প্রকল্পের ধরন Waste-to-Energy
দৈনিক বর্জ্য প্রায় ৩,০০০ টন
বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪২.৫ MW
মোট প্রকল্প ব্যয় প্রায় $467 million
আনুমানিক বাংলাদেশি মূল্য প্রায় ৫,৭৪৫ কোটি টাকা
বিদ্যুৎ ক্রয়ের মেয়াদ ২৫ বছর
Developer CMEC
বিদ্যুৎ ক্রেতা BPDB
বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ

AIIB-এর প্রকল্প নথিতে এই প্রকল্পের estimated cost প্রায় $467 million এবং ২৫ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।


💰 আমিনবাজার প্রকল্পের মোট খরচ কত?

বর্তমান প্রকাশিত estimate অনুযায়ী প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায়:

$467 million

ডলার ও টাকার বিনিময় হার পরিবর্তনশীল হলেও ১ ডলার প্রায় ১২৩ টাকা ধরে হিসাব করলে:

$467 million × Tk123 ≈ Tk57.4 billion

অর্থাৎ প্রায়:

৫,৭৪৫ কোটি টাকা

এখানে মনে রাখতে হবে, এটি প্রকল্পের estimated capital cost। ২৫ বছরে বিদ্যুৎ কেনার মোট অর্থ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।


🇨🇳 চীন কত টাকা বিনিয়োগ করছে?

প্রকাশিত financing structure অনুযায়ী CMEC-এর equity contribution প্রায়:

$157 million

বর্তমান বিনিময় হার ধরে এটি আনুমানিক ১,৯০০ কোটি টাকার কিছু বেশি

এ ছাড়া AIIB এবং New Development Bank বা NDB থেকে মোট প্রায় $200 million ঋণ নেওয়ার কাঠামো রয়েছে।

অর্থাৎ প্রকল্পের পুরো ৫,৭৪৫ কোটি টাকা চীনের সরাসরি বিনিয়োগ নয়।

এখানে দুটি বিষয় আলাদা:

CMEC-এর equity investment ≠ পুরো project cost

এবং

AIIB/NDB loan ≠ চীনের অনুদান

ঋণের অর্থ প্রকল্পের আর্থিক কাঠামোর অংশ এবং তা পরিশোধ করতে হবে।


⚡ প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত?

প্রকল্পটির সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো বিদ্যুতের tariff।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী Power Purchase Agreement বা PPA-তে বিদ্যুতের দাম প্রায়:

২১.৭৮ US cents/kWh

১ US dollar প্রায় ১২৩ টাকা ধরে:

0.2178 × 123 ≈ Tk26.79

অর্থাৎ বর্তমান বিনিময় হার ধরে প্রায়:

২৬ টাকা ৭৯ পয়সা প্রতি ইউনিট

ডলার-ভিত্তিক tariff হওয়ায় ভবিষ্যতে বিনিময় হার পরিবর্তিত হলে বাংলাদেশি টাকায় প্রকৃত ব্যয়ও পরিবর্তিত হতে পারে।


📊 বছরে কত বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে?

প্রকল্পটির ক্ষমতা ৪২.৫ MW।

যদি plant ১০০ শতাংশ capacity-তে সারাবছর চলত:

42.5 × 8,760 = 372.3 million units

তবে বাস্তবে কোনো power plant সবসময় ১০০ শতাংশ capacity-তে চলে না।

৮৫% capacity factor ধরে:

372.3 million × 85% ≈ 316.5 million units

অর্থাৎ বছরে আনুমানিক:

৩১.৬ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ

উৎপাদন হতে পারে।


💸 বছরে বাংলাদেশ কত টাকা দিতে পারে?

যদি প্রতি ইউনিটের দাম Tk26.79 এবং বার্ষিক উৎপাদন ৩১.৬৫ কোটি ইউনিট ধরা হয়:

৩১.৬৫ কোটি × Tk26.79

৮৪৮ কোটি টাকা/বছর

অর্থাৎ সরল হিসাবে বছরে প্রায়:

৮৪৮ কোটি টাকা


🧮 ২৫ বছরে মোট কত টাকা?

একই tariff এবং ৮৫% capacity factor ২৫ বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকে—এমন সরল হিসাব করলে:

Tk848 কোটি × 25

Tk21,200 কোটি

অর্থাৎ প্রায় ২১ হাজার ২০০ কোটি টাকা

ডলারে এই হিসাব প্রায় $1.72 billion-এর কাছাকাছি।

তবে এটি চূড়ান্ত সরকারি liability নয়। কারণ প্রকৃত PPA payment exchange rate, tariff adjustment, plant availability, capacity-related payment এবং অন্যান্য contractual terms-এর ওপর নির্ভর করতে পারে।


❗ ৫,৭৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে ২১ হাজার কোটি টাকা কেন?

এখানে অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝি হয়।

৫,৭৪৫ কোটি টাকা হলো আনুমানিক প্রকল্প নির্মাণ ও অর্থায়নের ব্যয়।

আর ২১,২০০ কোটি টাকা হলো ২৫ বছরে বিদ্যুৎ কেনার একটি সরল হিসাব।

বিদ্যুৎ বিক্রি থেকে পাওয়া revenue দিয়ে প্রকল্প কোম্পানিকে:

  • ঋণের কিস্তি
  • ঋণের সুদ
  • operation ও maintenance
  • কর্মচারী
  • waste processing
  • insurance
  • ash management
  • কর
  • equity investor-এর return

ইত্যাদি ব্যয় বহন করতে হবে।

তাই ২১,২০০ কোটি টাকা পুরোপুরি CMEC-এর লাভ নয়।


🌱 পরিবেশগত সুবিধা কী হতে পারে?

১. landfill-এর ওপর চাপ কমবে

প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ টন বর্জ্য treatment করা গেলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য landfill-এ যাওয়ার প্রয়োজন কমতে পারে।

এক বছরে:

৩,০০০ × ৩৬৫ = ১০.৯৫ লাখ টন

অর্থাৎ ২৫ বছরে তাত্ত্বিকভাবে প্রায় ২.৭৪ কোটি টন বর্জ্য treatment করার সক্ষমতা তৈরি হতে পারে।

২. Methane নির্গমন কমানোর সুযোগ

Landfill-এ জৈব বর্জ্য পচলে methane তৈরি হয়। Waste-to-Energy-এর মাধ্যমে landfill-এ যাওয়ার বর্জ্য কমানো গেলে methane emission কমানোর সুযোগ রয়েছে।

৩. বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার সুযোগ

যে বর্জ্যকে আগে শুধু সমস্যা হিসেবে দেখা হতো, তার একটি অংশকে energy resource হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।


⚠️ পরিবেশগত ঝুঁকি কী?

Waste-to-Energy প্রকল্পকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে “পরিবেশবান্ধব” ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

বর্জ্য পোড়ানোর ফলে:

  • particulate matter
  • flue gas
  • বিভিন্ন gas pollutant
  • bottom ash
  • fly ash

তৈরি হতে পারে।

তাই প্রকল্পটির পরিবেশগত নিরাপত্তা নির্ভর করবে:

উন্নত flue-gas treatment + emission monitoring + নিরাপদ ash disposal + সঠিক combustion control

এর ওপর।

বিশেষ করে fly ash-এর মতো অবশিষ্ট পদার্থ যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে নতুন পরিবেশগত সমস্যা তৈরি হতে পারে।


♻️ Recycling কি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে?

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

কাগজ, ধাতু, কাচ এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের মতো উপাদান যদি আগে আলাদা করা সম্ভব হয়, তাহলে সেগুলো recycling করা বেশি যৌক্তিক হতে পারে।

তাই একটি কার্যকর waste-management system হওয়া উচিত:

Reduce → Reuse → Recycle → Energy Recovery → Landfill

অর্থাৎ Waste-to-Energy যেন recycling-এর বিকল্প না হয়ে যায়।


💰 অর্থনৈতিকভাবে প্রকল্পটির বড় সুবিধা

সম্ভাব্য সুবিধা

  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবকাঠামো তৈরি হবে।
  • landfill-এর ওপর চাপ কমতে পারে।
  • বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
  • waste treatment-এর মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনার একটি বড় সমস্যা মোকাবিলা করা যাবে।
  • দীর্ঘমেয়াদে landfill expansion-এর প্রয়োজন কমতে পারে।

🚨 অর্থনৈতিক ঝুঁকি

১. বিদ্যুতের tariff বেশি

প্রায় ২৬.৮ টাকা/ইউনিট tariff বাংলাদেশের জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সাম্প্রতিক কিছু competitive solar bid-এর তুলনায় এই tariff অনেক বেশি।

২. দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি

২৫ বছরের PPA বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি payment obligation তৈরি করতে পারে।

৩. Exchange-rate risk

Tariff dollar-denominated হলে টাকার মূল্য কমে গেলে বাংলাদেশি টাকায় বিদ্যুতের ব্যয় বাড়বে।

৪. Waste supply risk

প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ টন উপযুক্ত বর্জ্য সরবরাহ করা না গেলে plant-এর efficiency ও economics ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

৫. Capacity utilisation

Plant কম capacity-তে চললে fixed cost কম বিদ্যুতের ওপর ভাগ হবে। ফলে effective cost per unit আরও বেড়ে যেতে পারে।


☀️ Solar-এর সঙ্গে তুলনা কেন আসছে?

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে competitive bidding-এর মাধ্যমে solar electricity-এর tariff অনেক কমে এসেছে।

কিছু সাম্প্রতিক solar bid-এ tariff প্রায় ৭.৫–৮.৪ US cents/kWh-এর কাছাকাছি ছিল।

অন্যদিকে আমিনবাজার WtE প্রকল্পের প্রকাশিত tariff প্রায় ২১.৭৮ cents/kWh

অর্থাৎ বিদ্যুতের দাম বিবেচনায় WtE অনেক বেশি ব্যয়বহুল।

তবে এখানে সরাসরি apples-to-apples comparison করা উচিত নয়।

কারণ solar:

  • landfill waste treatment করে না
  • সূর্যালোকের ওপর নির্ভরশীল
  • storage বা grid balancing প্রয়োজন হতে পারে

অন্যদিকে Waste-to-Energy:

  • বর্জ্য treatment করে
  • তুলনামূলকভাবে firm electricity দিতে পারে
  • landfill-এর ওপর চাপ কমাতে পারে।

তাই প্রকল্প মূল্যায়নে শুধু electricity tariff নয়, waste-management benefit-এর অর্থনৈতিক মূল্যও বিবেচনা করা উচিত।


🧐 প্রকল্পটি কি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক?

এর উত্তর এক কথায় দেওয়া কঠিন।

শুধু বিদ্যুৎ হিসেবে দেখলে

🔴 অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল

প্রায় ২৬.৮ টাকা/ইউনিট tariff একটি বড় প্রশ্ন তৈরি করে।

Waste management + electricity হিসেবে দেখলে

🟡 সম্ভাবনাময়

কারণ প্রতিদিন হাজার হাজার টন বর্জ্য treatment করার সক্ষমতার নিজস্ব অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে।

পরিবেশগত দিক থেকে

🟠 শর্তসাপেক্ষ

আধুনিক emission-control system, real-time monitoring এবং নিরাপদ ash disposal নিশ্চিত করা না গেলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


🇧🇩 বাংলাদেশের কী করা উচিত?

প্রকল্পটি নিয়ে বিতর্কের পরিবর্তে প্রথমে পূর্ণ তথ্য জনসমক্ষে আনা প্রয়োজন।

বিশেষ করে প্রকাশ করা উচিত:

  1. সম্পূর্ণ Power Purchase Agreement
  2. tariff-এর পূর্ণ formula
  3. capacity payment-এর বিস্তারিত
  4. ২৫ বছরে সম্ভাব্য মোট financial liability
  5. CMEC-এর equity return
  6. AIIB/NDB ঋণের সুদ ও repayment schedule
  7. emission monitoring-এর পদ্ধতি ও ফলাফল
  8. fly ash ও bottom ash disposal plan
  9. waste supply কম হলে দায় কার
  10. recycling-এর সঙ্গে প্রকল্পটির সমন্বয় কীভাবে হবে

এই তথ্যগুলো প্রকাশ করা হলে প্রকল্পটি নিয়ে জনসাধারণের মূল্যায়ন আরও তথ্যভিত্তিক হবে।


📌 শেষ কথা: আমিনবাজার প্রকল্প কি লাভ নাকি ক্ষতি?

আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্পের ধারণা নিজে খারাপ নয়। ঢাকার মতো একটি ঘনবসতিপূর্ণ শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনকে একসঙ্গে সমাধানের চেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু প্রকল্পটির বিদ্যুতের tariff তুলনামূলকভাবে বেশি, এবং ২৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে বাংলাদেশের আর্থিক ঝুঁকিও রয়েছে।

অন্যদিকে, প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ টন বর্জ্য treatment করার সুবিধাকে শুধু বিদ্যুতের দামের সঙ্গে তুলনা করলে পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না।

সুতরাং প্রকল্পটির প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত তিনটি প্রশ্নের ভিত্তিতে:

১. বিদ্যুৎ কত দামে পাওয়া যাচ্ছে?

২. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রকৃত সুবিধা কত?

৩. পরিবেশগত ঝুঁকি কতটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অবশ্যই করা যেতে পারে—কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থে সেটি হতে হবে স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক, পরিবেশসম্মত এবং দীর্ঘমেয়াদে আর্থিকভাবে যুক্তিসঙ্গত।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু “চীনের সঙ্গে প্রকল্প” নয়।

প্রশ্ন হলো—

বাংলাদেশের জনগণ ২৫ বছরে কত টাকা দেবে এবং বিনিময়ে কতটা বিদ্যুৎ, কতটা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুবিধা এবং কতটা পরিবেশগত লাভ পাবে?

এই প্রশ্নের উত্তরই প্রকল্পটির প্রকৃত সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করবে।


তথ্যসূত্র

Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) — Bangladesh: North Dhaka Waste-to-Energy Project

The Daily Star — Aminbazar Waste-to-Energy project ও electricity tariff সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন

The Business Standard — Bangladesh Waste-to-Energy project সংক্রান্ত প্রকাশিত তথ্য

বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও সরকারি নথি — PPA, waste supply এবং project implementation সংক্রান্ত প্রকাশিত তথ্য।

নোট: এই প্রতিবেদনে ২৫ বছরের মোট বিদ্যুৎ ব্যয়ের হিসাবটি একটি সরল illustrative calculation। প্রকৃত চুক্তিভিত্তিক অর্থপ্রদান exchange rate, tariff adjustment, capacity/availability payment এবং PPA-এর অন্যান্য শর্তের কারণে ভিন্ন হতে পারে।

No comments:

Post a Comment